খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ই মে ২০২৩, ৮:৪৫ এএম
পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমলো ২৫ টাকা ফরিদপুরে,ফরিদপুরে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। বিভিন্ন হাটে-বাজারে তিন-চার দিন আগেও যে পেঁয়াজ মণ প্রতি তিন হাজার থেকে তিন হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, তা এখন মণ প্রতি দুই হাজার ১০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম না কমলে আমদানি করা হবে- বাণিজ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর ফরিদপুরে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

শনিবার জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা কম দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। ফলে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে ২৫ টাকা পর্যন্ত।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে দেশি পেঁয়াজের। দেশের বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় ফরিদপুরের পেঁয়াজের হাট-বাজারগুলোতে কয়েক দফায় বেড়ে যায় দাম। দুই থেকে তিন দিনের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা বাজারে হঠাৎ আবার দাম কমতে শুরু করেছে।
তবে আমদানির আগেই হঠাৎ এমন দরপতনে চিন্তায় চাষিরা। এভাবে দাম কমতে থাকলে লোকসানের আশঙ্কাও তাদের। যদিও পেঁয়াজের দাম কমায় খুশি ভোক্তারা। তবে প্রতিমণ পেঁয়াজ গড়ে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকা দরে অর্থাৎ বর্তমান বাজারমূল্য বজায় থাকলে সবার জন্যই ভালো- এমন দাবি চাষি, ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের।
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা সদরে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার হাট বসে। হাটে পাইকারি দরে বিক্রি হয় পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রাজধানী খ্যাত নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায় উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা মেটায়। এ হাটে প্রতিমণ পেঁয়াজ দুই হাজার ১০০ থেকে দুই হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত তিনদিনের তুলনায় মণে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা কম।
কৃষক জানান, দীর্ঘদিন পর ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। আমদানি বন্ধসহ বাজারদর ঠিক থাকলে আগামীতে পেঁয়াজ চাষে চাষিদের আগ্রহ বাড়বে। এবার প্রায় ১৪০ মণ পেঁয়াজ পেয়েছেন তিনি। দাম বাড়ায় ৪০ মণ বিক্রি করেছেন। এ রকম দাম থাকলে চাষিদের জন্য ভালো, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের জন্য সহনীয় হয় বলে মনে করেন তিনি।

মন্তব্য